০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে ফসলের মাঠ থেকে অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার

  • আপডেট: ০৬:৫৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • 5

নিজস্ব প্রতিবেদন : লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় ফসলের মাঠ থেকে ফরহাদ হোসেন (৩০) নামের এক অটোরিকশা চালকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব চরমনসা গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ফরহাদ ওই গ্রামের মো. দিদার হোসেনের ছেলে। তিনি এক সন্তানের জনক ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। লাশের ডান চোখ উপড়ে ফেলা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে এক ব্যক্তি পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে ফরহাদকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে নেন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। আজ ভোরে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি ফসলি মাঠে তার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

নিহতের স্ত্রী নার্গিস বেগম বলেন, ‘পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে রাতে তাকে ফোন করে ডেকে নেওয়া হয়। টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’

লক্ষ্মীপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

গণভোটের রায় অমান্যের প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ

লক্ষ্মীপুরে ফসলের মাঠ থেকে অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার

আপডেট: ০৬:৫৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদন : লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় ফসলের মাঠ থেকে ফরহাদ হোসেন (৩০) নামের এক অটোরিকশা চালকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব চরমনসা গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ফরহাদ ওই গ্রামের মো. দিদার হোসেনের ছেলে। তিনি এক সন্তানের জনক ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। লাশের ডান চোখ উপড়ে ফেলা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে এক ব্যক্তি পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে ফরহাদকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে নেন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। আজ ভোরে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি ফসলি মাঠে তার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

নিহতের স্ত্রী নার্গিস বেগম বলেন, ‘পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে রাতে তাকে ফোন করে ডেকে নেওয়া হয়। টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’

লক্ষ্মীপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।