১২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

মা হারালেন সাংবাদিক জহির উদ্দিন, লক্ষ্মীপুরে শোকের ছায়া

  • আপডেট: ০১:০৮:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • 18

বিজয়ের আলো ডেক্স : মাথার ওপর থেকে পরম মমতার ছায়াটি সরে গেল। না ফেরার দেশে চলে গেলেন লক্ষ্মীপুরের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জেলা প্রতিনিধি মো. জহির উদ্দিনের মা জাহানারা বেগম (৭৬)। আজ শুক্রবার ভোর ছয়টার দিকে রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তাঁর মৃত্যুতে লক্ষ্মীপুরের সাংবাদিক অঙ্গনসহ দীর্ঘদিনের চেনা জনপদে নেমে এসেছে গভীর শোক। জাহানারা বেগম কেবল একজন মা ছিলেন না, ছিলেন সন্তানদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা ও সাহস।

পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। শেষ দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ভোরের আলো ফোটার আগেই তিনি পাড়ি জমান পরপারে।

মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, তিন মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। সাংবাদিক জহির উদ্দিন তাঁর ছোট ছেলে। প্রিয় জননীকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, ‘মা-ই ছিলেন আমার সব। আজ থেকে আমি ছায়াহীন হয়ে পড়লাম। আপনারা আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন।’

বিকেলের দিকে ঢাকা থেকে মরদেহ লক্ষ্মীপুরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তবে জানাজার সময় ও স্থান এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। পারিবারিক সিদ্ধান্তে তা পরে জানানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে জ্যেষ্ঠ এই সাংবাদিকের মায়ের মৃত্যুতে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

গণভোটের রায় অমান্যের প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ

মা হারালেন সাংবাদিক জহির উদ্দিন, লক্ষ্মীপুরে শোকের ছায়া

আপডেট: ০১:০৮:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

বিজয়ের আলো ডেক্স : মাথার ওপর থেকে পরম মমতার ছায়াটি সরে গেল। না ফেরার দেশে চলে গেলেন লক্ষ্মীপুরের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জেলা প্রতিনিধি মো. জহির উদ্দিনের মা জাহানারা বেগম (৭৬)। আজ শুক্রবার ভোর ছয়টার দিকে রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তাঁর মৃত্যুতে লক্ষ্মীপুরের সাংবাদিক অঙ্গনসহ দীর্ঘদিনের চেনা জনপদে নেমে এসেছে গভীর শোক। জাহানারা বেগম কেবল একজন মা ছিলেন না, ছিলেন সন্তানদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা ও সাহস।

পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। শেষ দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ভোরের আলো ফোটার আগেই তিনি পাড়ি জমান পরপারে।

মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, তিন মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। সাংবাদিক জহির উদ্দিন তাঁর ছোট ছেলে। প্রিয় জননীকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, ‘মা-ই ছিলেন আমার সব। আজ থেকে আমি ছায়াহীন হয়ে পড়লাম। আপনারা আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন।’

বিকেলের দিকে ঢাকা থেকে মরদেহ লক্ষ্মীপুরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তবে জানাজার সময় ও স্থান এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। পারিবারিক সিদ্ধান্তে তা পরে জানানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে জ্যেষ্ঠ এই সাংবাদিকের মায়ের মৃত্যুতে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।