০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

লক্ষ্মীপুর রামগতিতে রিমান্ডে থাকা আসামির তথ্যে বিপুল পরিমাণ চোরাই পণ্য উদ্ধার

  • আপডেট: ০৬:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • 23

নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরের রামগতি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনসহ বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) রিমান্ডে থাকা আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে রামগতি থানায় দায়েরকৃত একটি চুরির মামলায় (মামলা নং-২১, ধারা-৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোড) গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ আরমান হোসেন দিপু (২৩)-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ডে আনা হয়। রিমান্ড চলাকালীন পুলিশের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে দিপু চুরির ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

পরবর্তীতে আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার দেখানো স্থান থেকে চোরাই মালামালগুলো উদ্ধার করা হয়,৩টি সিলিং ফ্যান,১টি চুলা,১টি কাপড় ইস্ত্রি করার আয়রন,১টি ইলেকট্রনিক কেটলি,১টি কড়াই এবং ১টি হেয়ার ড্রায়ার।

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, রিমান্ডে থাকা আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে। চুরির সাথে জড়িত অন্যান্য চক্রের সদস্যদের ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের এই ধরণের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে। উদ্ধারকৃত মালামাল আইনানুগ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

গণভোটের রায় অমান্যের প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ

লক্ষ্মীপুর রামগতিতে রিমান্ডে থাকা আসামির তথ্যে বিপুল পরিমাণ চোরাই পণ্য উদ্ধার

আপডেট: ০৬:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরের রামগতি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনসহ বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) রিমান্ডে থাকা আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে রামগতি থানায় দায়েরকৃত একটি চুরির মামলায় (মামলা নং-২১, ধারা-৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোড) গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ আরমান হোসেন দিপু (২৩)-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ডে আনা হয়। রিমান্ড চলাকালীন পুলিশের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে দিপু চুরির ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

পরবর্তীতে আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার দেখানো স্থান থেকে চোরাই মালামালগুলো উদ্ধার করা হয়,৩টি সিলিং ফ্যান,১টি চুলা,১টি কাপড় ইস্ত্রি করার আয়রন,১টি ইলেকট্রনিক কেটলি,১টি কড়াই এবং ১টি হেয়ার ড্রায়ার।

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, রিমান্ডে থাকা আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে। চুরির সাথে জড়িত অন্যান্য চক্রের সদস্যদের ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের এই ধরণের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে। উদ্ধারকৃত মালামাল আইনানুগ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।