০৪:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

রাতে বাসে ঘুমিয়ে ছিলেন সুপারভাইজার, সকালে পাওয়া গেল রক্তাক্ত মরদেহ

  • আপডেট: ১০:৪৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০২২
  • 5900

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ইকোনো পরিবহনের একটি বাসের ভেতর ঘুমন্ত অবস্থায় সুপারভাইজার রিয়াদ হোসেন লিটনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (০৯ এপ্রিল) ভোরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাসচালক মো. নাহিদকে আটক করা হয়েছে।

লিটন সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক বাসচালক নাহিদ রামগতি উপজেলার চররমিজ ইউনিয়নের শাহরিয়ার আহমেদের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে চেয়ারকোচ ইকোনো বাস রাত ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুর আসে। যাত্রীদের বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে দিয়ে গাড়িটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ঢাকা-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে রাখা হয়। তখন গাড়িতে নতুন একজন হেলপার, সুপারভাইজার লিটন, পুরাতন স্টাফ শিপন ও চালক নাহিদ ছিলেন। এ সময় লিটন ও নতুন হেলপারকে বাসে রেখে নাহিদ ও শিপন বাসায় চলে যায়। পরে তারা বাসেই ঘুমিয়ে পড়ে। সেহরির সময় ভোর ৪টার দিকে এসে গাড়ির ভেতর লিটনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পায় নাহিদ।

পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয় লাইনম্যান মো. সেলিমকে জানান। সেলিমের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে নতুন হেলপার পলাতক রয়েছে। তার পরিচয় জানাতে পারেনি কেউই।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে লিটনকে হত্যা করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাসচালককে আটক করেছি। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

লক্ষ্মীপুরে মার্কেটের জায়গা দখল করে মালামাল রাখাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীর উপর হামলা, প্রতিবাদে মানববন্ধন

রাতে বাসে ঘুমিয়ে ছিলেন সুপারভাইজার, সকালে পাওয়া গেল রক্তাক্ত মরদেহ

আপডেট: ১০:৪৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০২২

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ইকোনো পরিবহনের একটি বাসের ভেতর ঘুমন্ত অবস্থায় সুপারভাইজার রিয়াদ হোসেন লিটনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (০৯ এপ্রিল) ভোরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাসচালক মো. নাহিদকে আটক করা হয়েছে।

লিটন সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক বাসচালক নাহিদ রামগতি উপজেলার চররমিজ ইউনিয়নের শাহরিয়ার আহমেদের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে চেয়ারকোচ ইকোনো বাস রাত ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুর আসে। যাত্রীদের বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে দিয়ে গাড়িটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ঢাকা-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে রাখা হয়। তখন গাড়িতে নতুন একজন হেলপার, সুপারভাইজার লিটন, পুরাতন স্টাফ শিপন ও চালক নাহিদ ছিলেন। এ সময় লিটন ও নতুন হেলপারকে বাসে রেখে নাহিদ ও শিপন বাসায় চলে যায়। পরে তারা বাসেই ঘুমিয়ে পড়ে। সেহরির সময় ভোর ৪টার দিকে এসে গাড়ির ভেতর লিটনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পায় নাহিদ।

পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয় লাইনম্যান মো. সেলিমকে জানান। সেলিমের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে নতুন হেলপার পলাতক রয়েছে। তার পরিচয় জানাতে পারেনি কেউই।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে লিটনকে হত্যা করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাসচালককে আটক করেছি। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।