০১:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

নবম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ: গৃহ শিক্ষকসহ শ্রীঘরে ৩

  • আপডেট: ১০:৪৩:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১
  • 1692

সালমা হক রিয়া,নোয়াখালী থেকে:
নোয়াখালীর চাটখিলের পরকোট ইউনিয়নে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণের ঘটনায় গৃহশিক্ষকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামী করে চাটখিল থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, গৃহ শিক্ষক ফারাবী আহম্মেদ ফয়েজ, তার বাবা রুহুল আমিন ও ভাই দিপু।

পুলিশ মামলার বরাত দিয়ে জানায়, পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ওই ছাত্রীকে পড়াতেন ফয়েজ। সপ্তম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ওইছাত্রীকে নানা সময় প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসে ফয়েজ। গত দুই বছর যাবত বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে গৃহ শিক্ষক ফয়েজ। সবশেষ গত ৭ জুলাই ওই ছাত্রীকে কৌশলে নিজের ফুফুদের রান্না ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক পুনরায় ধর্ষণ করে। এ সময় ছাত্রীর গোংরানির শব্দ পেয়ে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এসে ফয়েজ আটক করে। পরে স্থানীয়ভাবে গ্রাম্য শালিসে তাকে বিয়ে করার শর্তে ফয়েজকে নিয়ে যায় তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ে না করে উল্টো হুমকি দিতে থাকে ফয়েজের পরিবারের লোকজন। বাধ্য হয়ে মঙ্গলবার রাতে প্রথমে থানায় মোখিক অভিযোগ এবং বুধবার সকালে লিখিত মামলা দেন ছাত্রীর বাবা।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে তিনজনকে আটক করা হয়। বুধবার এ ঘটনায় লিখিত মামলা দিলে আটককৃতদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

সর্বাধিক পঠিত

লক্ষ্মীপুরে মার্কেটের জায়গা দখল করে মালামাল রাখাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীর উপর হামলা, প্রতিবাদে মানববন্ধন

নবম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ: গৃহ শিক্ষকসহ শ্রীঘরে ৩

আপডেট: ১০:৪৩:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১

সালমা হক রিয়া,নোয়াখালী থেকে:
নোয়াখালীর চাটখিলের পরকোট ইউনিয়নে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণের ঘটনায় গৃহশিক্ষকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামী করে চাটখিল থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, গৃহ শিক্ষক ফারাবী আহম্মেদ ফয়েজ, তার বাবা রুহুল আমিন ও ভাই দিপু।

পুলিশ মামলার বরাত দিয়ে জানায়, পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ওই ছাত্রীকে পড়াতেন ফয়েজ। সপ্তম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ওইছাত্রীকে নানা সময় প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসে ফয়েজ। গত দুই বছর যাবত বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে গৃহ শিক্ষক ফয়েজ। সবশেষ গত ৭ জুলাই ওই ছাত্রীকে কৌশলে নিজের ফুফুদের রান্না ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক পুনরায় ধর্ষণ করে। এ সময় ছাত্রীর গোংরানির শব্দ পেয়ে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এসে ফয়েজ আটক করে। পরে স্থানীয়ভাবে গ্রাম্য শালিসে তাকে বিয়ে করার শর্তে ফয়েজকে নিয়ে যায় তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ে না করে উল্টো হুমকি দিতে থাকে ফয়েজের পরিবারের লোকজন। বাধ্য হয়ে মঙ্গলবার রাতে প্রথমে থানায় মোখিক অভিযোগ এবং বুধবার সকালে লিখিত মামলা দেন ছাত্রীর বাবা।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে তিনজনকে আটক করা হয়। বুধবার এ ঘটনায় লিখিত মামলা দিলে আটককৃতদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।