০৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

স্বামী বদলাবদলির আবেদন নিয়ে আদালতে দুই বোন

  • আপডেট: ১১:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • 12

আন্তর্জাতিক ডেক্স: ভারতের মধ্যপ্রদেশে দুই সহোদর বোনকে ঘিরে এক অস্বাভাবিক পারিবারিক বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। নিজেদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে একে অপরের স্বামীর সঙ্গে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তারা। বিষয়টি নিয়ে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের গ্বালিয়র বেঞ্চে শুনানির পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
ঘটনার শুরু দতিয়া এলাকার এক ব্যক্তির করা হেবিয়াস কর্পাস মামলার মাধ্যমে। ওই ব্যক্তি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী ও মেয়েকে ভায়রাভাই জোরপূর্বক নিয়ে গেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত পুলিশকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেয়।

পরে আদালতে হাজির করা হলে অভিযোগে উল্লেখ থাকা নারী জানান, তিনি কাউকে না জানিয়ে স্বেচ্ছায় বোনের স্বামীর সঙ্গে গেছেন এবং ভবিষ্যতেও তার সঙ্গেই থাকতে চান। তিনি আদালতকে আরও জানান, নিজের স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে ভালো যাচ্ছে না এবং এ নিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়াও শুরু করেছেন।

একই শুনানিতে অপর বোনও নিজের স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি আদালতকে জানান, বোনের স্বামীর সঙ্গে থাকতে চান তিনি। এ সময় দুই বোনই পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে স্বামী পরিবর্তনের সুযোগ চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানান।

শুনানি শেষে আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, মামলার সঙ্গে জড়িত সবাই প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় এটি অপহরণের মতো ফৌজদারি অপরাধের আওতায় পড়ে না। বরং এটি পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের বিষয়। আদালত পক্ষগুলোকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেন।

পরে হেবিয়াস কর্পাস মামলাটি খারিজ করে দেন বিচারপতি। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় এলাকায় তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

Tag :

ভোলার দুলারহাটে ইয়াবাসহ রাতে আটক হলেও দিনে আদালত থেকে জামিন

স্বামী বদলাবদলির আবেদন নিয়ে আদালতে দুই বোন

আপডেট: ১১:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেক্স: ভারতের মধ্যপ্রদেশে দুই সহোদর বোনকে ঘিরে এক অস্বাভাবিক পারিবারিক বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। নিজেদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে একে অপরের স্বামীর সঙ্গে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তারা। বিষয়টি নিয়ে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের গ্বালিয়র বেঞ্চে শুনানির পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
ঘটনার শুরু দতিয়া এলাকার এক ব্যক্তির করা হেবিয়াস কর্পাস মামলার মাধ্যমে। ওই ব্যক্তি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী ও মেয়েকে ভায়রাভাই জোরপূর্বক নিয়ে গেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত পুলিশকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেয়।

পরে আদালতে হাজির করা হলে অভিযোগে উল্লেখ থাকা নারী জানান, তিনি কাউকে না জানিয়ে স্বেচ্ছায় বোনের স্বামীর সঙ্গে গেছেন এবং ভবিষ্যতেও তার সঙ্গেই থাকতে চান। তিনি আদালতকে আরও জানান, নিজের স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে ভালো যাচ্ছে না এবং এ নিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়াও শুরু করেছেন।

একই শুনানিতে অপর বোনও নিজের স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি আদালতকে জানান, বোনের স্বামীর সঙ্গে থাকতে চান তিনি। এ সময় দুই বোনই পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে স্বামী পরিবর্তনের সুযোগ চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানান।

শুনানি শেষে আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, মামলার সঙ্গে জড়িত সবাই প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় এটি অপহরণের মতো ফৌজদারি অপরাধের আওতায় পড়ে না। বরং এটি পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের বিষয়। আদালত পক্ষগুলোকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেন।

পরে হেবিয়াস কর্পাস মামলাটি খারিজ করে দেন বিচারপতি। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় এলাকায় তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।