০১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচন: ২ নং ওয়ার্ডে আলোচনার শীর্ষে শ্রমিক দল নেতা নুরুল ইসলাম লিটন

  • আপডেট: ০৫:১৭:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • 2

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা ও জনপ্রিয়তায় আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি নুরুল ইসলাম লিটন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং নানামুখী সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি ওয়ার্ডবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন।

রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে একাধিক মামলা, কারা-নির্যাতন ও নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি অতিক্রম করলেও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও দোয়াকে কেন্দ্র করে রাজপথে অটল থেকেছেন এই প্রার্থী। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন।

“আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা এবং জীবনের প্রতিটি স্মৃতি এই প্রিয় ২ নং ওয়ার্ডের মাটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। রাজনীতিকে আমি কখনো ব্যক্তিগত লাভের মাধ্যম হিসেবে দেখিনি; মানুষের অধিকার আদায় ও জনসেবার দায়িত্ব হিসেবেই গ্রহণ করেছি। কোনো নেতা হয়ে নয়, আপনাদের ঘরের ছেলে হয়ে দোয়া ও সমর্থন চাইতে এসেছি।”

নির্বাচিত হলে একটি ডিজিটাল, স্মার্ট, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ওয়ার্ড গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে নুরুল ইসলাম লিটন ১০টি মূল রূপরেখা তুলে ধরেছেন।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত ও সহজ নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা।

শিক্ষা ও প্রযুক্তি: মেধা ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার বিস্তার।

যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান: তরুণদের জন্য আইটি প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি।

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার: কৃষক, জেলে, শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষের ন্যায্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।

প্রবাসী কল্যাণ: প্রবাসী পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো এবং সম্মানজনক সেবা প্রদান।

নারীর নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন: মা-বোনদের স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি।

স্বাস্থ্য ও পরিবেশ: উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ খাবার পানি, স্যানিটেশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার স্থায়ী সমাধান।

টেকসই পরিকাঠামো: ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট ও বিদ্যুতায়ন ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন।

মাদকমুক্ত সমাজ গঠন: মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ।

সামাজিক সম্প্রীতি: সকল শ্রেণি-পেশা ও ধর্মের মানুষের মানবিক মর্যাদা ও ধর্মীয় সহনশীলতা রক্ষা।

ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা, তরুণ ও বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আপদে-বিপদে নুরুল ইসলাম লিটনকে সবসময় কাছে পাওয়া যায়। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত পরিবেশ গড়তে তাঁর বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।

নিজের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নুরুল ইসলাম লিটন বলেন, “উন্নয়ন একা কোনো কাউন্সিলরের পক্ষে সম্ভব নয়; তরুণ, শিক্ষক, শ্রমজীবী, প্রবাসী ও বিজ্ঞজনদের যৌথ প্রচেষ্টাতেই সম্ভব। আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অন্তত ৯০ শতাংশ কাজ বাস্তবায়নে সর্বশক্তি নিয়োগ করব, ইনশাআল্লাহ। আজ ক্ষমতা নয়, কেবল সেবা করার সুযোগ চাই।

একটি আধুনিক, মানবিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও নিরাপদ ২ নং ওয়ার্ড গড়ে তুলতে ওয়ার্ডবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা, দোয়া প্রত্যাশা করেছেন তিনি।

Tag :

লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচন: ২ নং ওয়ার্ডে আলোচনার শীর্ষে শ্রমিক দল নেতা নুরুল ইসলাম লিটন

লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচন: ২ নং ওয়ার্ডে আলোচনার শীর্ষে শ্রমিক দল নেতা নুরুল ইসলাম লিটন

আপডেট: ০৫:১৭:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা ও জনপ্রিয়তায় আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি নুরুল ইসলাম লিটন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং নানামুখী সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি ওয়ার্ডবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন।

রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে একাধিক মামলা, কারা-নির্যাতন ও নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি অতিক্রম করলেও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও দোয়াকে কেন্দ্র করে রাজপথে অটল থেকেছেন এই প্রার্থী। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন।

“আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা এবং জীবনের প্রতিটি স্মৃতি এই প্রিয় ২ নং ওয়ার্ডের মাটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। রাজনীতিকে আমি কখনো ব্যক্তিগত লাভের মাধ্যম হিসেবে দেখিনি; মানুষের অধিকার আদায় ও জনসেবার দায়িত্ব হিসেবেই গ্রহণ করেছি। কোনো নেতা হয়ে নয়, আপনাদের ঘরের ছেলে হয়ে দোয়া ও সমর্থন চাইতে এসেছি।”

নির্বাচিত হলে একটি ডিজিটাল, স্মার্ট, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ওয়ার্ড গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে নুরুল ইসলাম লিটন ১০টি মূল রূপরেখা তুলে ধরেছেন।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত ও সহজ নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা।

শিক্ষা ও প্রযুক্তি: মেধা ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার বিস্তার।

যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান: তরুণদের জন্য আইটি প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি।

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার: কৃষক, জেলে, শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষের ন্যায্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।

প্রবাসী কল্যাণ: প্রবাসী পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো এবং সম্মানজনক সেবা প্রদান।

নারীর নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন: মা-বোনদের স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি।

স্বাস্থ্য ও পরিবেশ: উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ খাবার পানি, স্যানিটেশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার স্থায়ী সমাধান।

টেকসই পরিকাঠামো: ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট ও বিদ্যুতায়ন ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন।

মাদকমুক্ত সমাজ গঠন: মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ।

সামাজিক সম্প্রীতি: সকল শ্রেণি-পেশা ও ধর্মের মানুষের মানবিক মর্যাদা ও ধর্মীয় সহনশীলতা রক্ষা।

ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা, তরুণ ও বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আপদে-বিপদে নুরুল ইসলাম লিটনকে সবসময় কাছে পাওয়া যায়। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত পরিবেশ গড়তে তাঁর বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।

নিজের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নুরুল ইসলাম লিটন বলেন, “উন্নয়ন একা কোনো কাউন্সিলরের পক্ষে সম্ভব নয়; তরুণ, শিক্ষক, শ্রমজীবী, প্রবাসী ও বিজ্ঞজনদের যৌথ প্রচেষ্টাতেই সম্ভব। আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অন্তত ৯০ শতাংশ কাজ বাস্তবায়নে সর্বশক্তি নিয়োগ করব, ইনশাআল্লাহ। আজ ক্ষমতা নয়, কেবল সেবা করার সুযোগ চাই।

একটি আধুনিক, মানবিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও নিরাপদ ২ নং ওয়ার্ড গড়ে তুলতে ওয়ার্ডবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা, দোয়া প্রত্যাশা করেছেন তিনি।