০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে মজুচৌধুরী হাটে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, কেপিআই নিরাপত্তায় প্রশাসনের অভিযান

  • আপডেট: ০১:৩২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • 99

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মজুচৌধুরী হাট এলাকায় রহমতখালী খালের রেগুলেটরসংলগ্ন অংশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। কেপিআই (কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন) নিরাপত্তা নির্দেশনার আলোকে রেগুলেটরের দুই পাশে ৩০ মিটার এলাকাজুড়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সোমবার (২৪ জুন) সকালে পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিব্বির আহমেদ। অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার, পাউবোর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ২১ এপ্রিল অবৈধ দখলদারদের ১৫ দিনের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে নিতে নোটিশ দেওয়া হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ফারিয়া আজাদ আনিকা, শাখা কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা অভিযানে অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিব্বির আহমেদ বলেন, “কেপিআই এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেগুলেটর সংলগ্ন অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে তোলা স্থাপনাগুলো কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। পর্যায়ক্রমে অন্য জায়গাগুলোর দখলও মুক্ত করা হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পানি চলাচলে স্বাভাবিকতা ফিরবে বলে আশা জানান।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

৭ কোটি টাকার রাস্তায় খোয়ার বদলে রাবিশ! ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপে কাজ বন্ধ

লক্ষ্মীপুরে মজুচৌধুরী হাটে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, কেপিআই নিরাপত্তায় প্রশাসনের অভিযান

আপডেট: ০১:৩২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মজুচৌধুরী হাট এলাকায় রহমতখালী খালের রেগুলেটরসংলগ্ন অংশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। কেপিআই (কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন) নিরাপত্তা নির্দেশনার আলোকে রেগুলেটরের দুই পাশে ৩০ মিটার এলাকাজুড়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সোমবার (২৪ জুন) সকালে পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিব্বির আহমেদ। অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার, পাউবোর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ২১ এপ্রিল অবৈধ দখলদারদের ১৫ দিনের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে নিতে নোটিশ দেওয়া হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ফারিয়া আজাদ আনিকা, শাখা কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা অভিযানে অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিব্বির আহমেদ বলেন, “কেপিআই এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেগুলেটর সংলগ্ন অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে তোলা স্থাপনাগুলো কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। পর্যায়ক্রমে অন্য জায়গাগুলোর দখলও মুক্ত করা হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পানি চলাচলে স্বাভাবিকতা ফিরবে বলে আশা জানান।