০৮:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পাবনায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার পর শরীর থেকে হাত-পা বিচ্ছিন্ন

  • আপডেট: ০৩:৫৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১
  • 1858

বিজয়ের আলো ডেস্ক:
পাবনায় এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। হত্যার পর তার দেহ থেকে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করা হয়।

মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) ভোর রাতে সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূর নাম হামিদা খাতুন (৩২)। তিনি ওই গ্রামের তেজেম মোল্লার স্ত্রী। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

নিহতের ভাই হামিদুল ইসলাম বলেন, তেজেম মোল্লা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। তার প্রতিবাদ করেন তার স্ত্রী। এ নিয়ে তার তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। তেজেম মোল্লা তার স্ত্রী হামিদা খাতুন কে প্রায়ই মারধর করতেন। এরই জেরে মঙ্গলবার ভোররাতে হামিদা খাতুন কে কুপিয়ে হত্যা করে তার স্বামী। হত্যার পর তার এক হাত ও দুই পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে। পরে ফোন দিয়ে সে আমার বোনকে হত্যার বিষয়টি জানিয়ে পালিয়ে যায়। আমরা বাড়িতে গিয়ে ঘটনা জানতে পারি এবং পুলিশকে খবর দেই।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়ন্তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

লক্ষ্মীপুরে মার্কেটের জায়গা দখল করে মালামাল রাখাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীর উপর হামলা, প্রতিবাদে মানববন্ধন

পাবনায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার পর শরীর থেকে হাত-পা বিচ্ছিন্ন

আপডেট: ০৩:৫৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১

বিজয়ের আলো ডেস্ক:
পাবনায় এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। হত্যার পর তার দেহ থেকে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করা হয়।

মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) ভোর রাতে সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূর নাম হামিদা খাতুন (৩২)। তিনি ওই গ্রামের তেজেম মোল্লার স্ত্রী। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

নিহতের ভাই হামিদুল ইসলাম বলেন, তেজেম মোল্লা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। তার প্রতিবাদ করেন তার স্ত্রী। এ নিয়ে তার তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। তেজেম মোল্লা তার স্ত্রী হামিদা খাতুন কে প্রায়ই মারধর করতেন। এরই জেরে মঙ্গলবার ভোররাতে হামিদা খাতুন কে কুপিয়ে হত্যা করে তার স্বামী। হত্যার পর তার এক হাত ও দুই পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে। পরে ফোন দিয়ে সে আমার বোনকে হত্যার বিষয়টি জানিয়ে পালিয়ে যায়। আমরা বাড়িতে গিয়ে ঘটনা জানতে পারি এবং পুলিশকে খবর দেই।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়ন্তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।