বিজয়ের আলো ডেস্ক :
বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশনের লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন নিয়ে আলোচনা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর এ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এনিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুনভাবে আমেজ সৃষ্টি হচ্ছে।
এদিকে বাজুস জেলা কমিটির বর্তমান সভাপতি সমীর কর্মকারের এ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়মের বেড়াজালে আটকা পড়বে বলে অনেকই জানিয়েছেন। ২০২৬-২৮ বর্ষের নির্বাচন বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কোন ব্যক্তি পরপর দুই মেয়াদের দায়িত্বে থাকার পর একটি নির্বাচন অংশগ্রহন না করে পরবর্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা ১৯৯৪ এর আওতায় নির্বাচিত বা মনোনীত সকল প্রতিনিধির ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য। এ হিসেবে সমীর কর্মকার টানা দুইবার দায়িত্বে ছিলেন। এতে তাকে আসন্ন নির্বাচনে বিরত থাকতে হবে।
বাজুস সূত্র জানান, বর্তমানে সমীর সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এরআগের সালের কমিটিতে তিনি যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ৫ জুলাই বাজুসের তফসিল ঘোষণা করা নির্বাচন বোর্ড। সেখানে সুর্নির্দিষ্ট আচরণবিধি ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তির ৪ এর খ ধারা মতে, সমীর কর্মকার এ নির্বাচনের অংশ নেওয়ার বৈধতা নেই। যদিও তিনি ইতোমধ্যে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বদ্বিতা করার আভাস দিচ্ছেন। বিষয়টি তারা প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশের সময় উপস্থাপন করবেন।
প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে সমীর কর্মকার বলেন, নির্বাচনের মাত্র তফসিল ঘোষণা হয়েছে, এখোনো আমি প্রার্থী হওয়া বা না হওয়া নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি।
এ বিষয়ে জানতে বাজুসের লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার নির্বাচনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মানিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন,পর পর কেউ যদি যে কোন পদে ২ বার নির্বাচন করে থাকেন, তাহলে টানা তৃতীয়বার নির্বাচন করার সুযোগ নেই, এক সেকশন গেফ দিয়ে নির্বাচন করতে হবে।









