০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

উপজেলা ভবন চন্দ্রগঞ্জের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন

  • আপডেট: ০৭:২৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • 19

নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরের নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার সকালে চন্দ্রগঞ্জ বাজার এলাকায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে নবগঠিত উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ, হাজিরপাড়া, উত্তর জয়পুর ও চরশাহী ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রত্যাশার পর চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বাস্তবায়নের ঘোষণা এসেছে। এজন্য তারা সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

বক্তারা দাবি করেন, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের নাম অনুসারেই উপজেলার নামকরণ করা হয়েছে। তবে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনিক ভবনের জন্য বটতলী এলাকাকে নির্ধারণ করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, চন্দ্রগঞ্জ বাজার দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানে থানা, হাইওয়ে থানা, বিদ্যুৎ অফিস, ভূমি অফিস, বিভিন্ন ব্যাংক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। ফলে উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত এ এলাকায় আসেন।

মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, উপজেলা পরিষদ যদি চন্দ্রগঞ্জ ও হাজিরপাড়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপন করা হয়, তাহলে চার ইউনিয়নের মানুষ সহজে সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়া ওই এলাকায় প্রায় ১১ একর সরকারি খাস জমি থাকায় নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না বলেও তারা উল্লেখ করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুনুর রশিদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফুয়াদ, সাংবাদিক মোহাম্মদ হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হাফেজ জসিম উদ্দিন মৃধা, সাবেক ছাত্রনেতা দেলোয়ার হোসেন মানিক ও ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলামসহ অনেকে।

বক্তারা দ্রুত উপজেলা পরিষদ ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

Tag :

গরমে স্বস্তির পরশ তালের শাঁস, কমলনগরে বিক্রির ধুম

উপজেলা ভবন চন্দ্রগঞ্জের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট: ০৭:২৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরের নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার সকালে চন্দ্রগঞ্জ বাজার এলাকায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে নবগঠিত উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ, হাজিরপাড়া, উত্তর জয়পুর ও চরশাহী ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রত্যাশার পর চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বাস্তবায়নের ঘোষণা এসেছে। এজন্য তারা সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

বক্তারা দাবি করেন, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের নাম অনুসারেই উপজেলার নামকরণ করা হয়েছে। তবে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনিক ভবনের জন্য বটতলী এলাকাকে নির্ধারণ করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, চন্দ্রগঞ্জ বাজার দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানে থানা, হাইওয়ে থানা, বিদ্যুৎ অফিস, ভূমি অফিস, বিভিন্ন ব্যাংক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। ফলে উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত এ এলাকায় আসেন।

মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, উপজেলা পরিষদ যদি চন্দ্রগঞ্জ ও হাজিরপাড়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপন করা হয়, তাহলে চার ইউনিয়নের মানুষ সহজে সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়া ওই এলাকায় প্রায় ১১ একর সরকারি খাস জমি থাকায় নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না বলেও তারা উল্লেখ করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুনুর রশিদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফুয়াদ, সাংবাদিক মোহাম্মদ হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হাফেজ জসিম উদ্দিন মৃধা, সাবেক ছাত্রনেতা দেলোয়ার হোসেন মানিক ও ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলামসহ অনেকে।

বক্তারা দ্রুত উপজেলা পরিষদ ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।