১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

‘বিজয়ের আলো বিডি ডট কম’-এ খবর প্রকাশের পর সেই মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রে ছুটে গেলেন মন্ত্রী

  • আপডেট: ০২:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • 14

বিজয়ের আলো :‘অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘বিজয়ের আলো বিডি ডট কম’-এ সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে টনক নড়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অবস্থিত এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বেহাল দশা এবং অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর কেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকা ফেরার পথে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়াকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন।
গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিজয়ের আলো বিডি ডট কম -এ ‘ অব্যবস্থাপনা নাকি পরিকল্পিত ধ্বংস? লক্ষ্মীপুরের মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রে কোটি টাকার হরিলুটের মহোৎসব”
’শিরোনামে একটি বিশেষ অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সংবাদটিতে কেন্দ্রটির অব্যবস্থাপনা, কোটি টাকার হরিলুট এবং জনবল সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে যাওয়ার চিত্র ফুটে ওঠে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর তা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উচ্চ মহলের নজরে আসে এবং প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী প্রজনন কেন্দ্রের বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। এ সময় লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে কেন্দ্রের ভয়াবহ জনবল সংকট এবং দীর্ঘদিনের অবহেলার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, যথাযথ তদারকির অভাবে এই আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠানটি আজ জরাজীর্ণ।

সরেজমিনে কেন্দ্রের দুরবস্থা দেখে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি কেন্দ্রটির সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়ে বলেন, “এশিয়ার অন্যতম প্রধান এই প্রজনন কেন্দ্রটিকে কোনোভাবেই ধ্বংস হতে দেওয়া যাবে না। সংবাদমাধ্যমে উঠে আসা অনিয়মগুলো তদন্ত করে দ্রুত সংস্কার ও জনবল সংকট নিরসনে মন্ত্রণালয় কার্যকরী পদক্ষেপ নেবে।”

দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত থাকা রায়পুর মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রটির সংকট নিরসনে ‘বিজয়ের আলো বিডি ডট কম ’-এর বস্তুনিষ্ঠ লেখনী এবং প্রতিমন্ত্রীর এই ঝটিকা সফরকে সাধুবাদ জানিয়েছে লক্ষ্মীপুরবাসী। স্থানীয়দের মতে, সংবাদ প্রকাশের পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এই হস্তক্ষেপ কেন্দ্রটিকে আবারও প্রাণবন্ত করে তুলবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদান বৃদ্ধি পাবে।

উল্লেখ্য, রায়পুরের এই কেন্দ্রটি কেবল বাংলাদেশের নয়, বরং সমগ্র এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও প্রজনন হাব হিসেবে পরিচিত। তবে তদারকির অভাবে প্রতিষ্ঠানটি গত কয়েক বছর ধরে হুমকির মুখে ছিল, যা ‘বিজয়ের আলো বিডি ডট কম’-এর সাহসী প্রতিবেদনে দেশবাসীর সামনে উন্মোচিত হয়।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

মা হারালেন সাংবাদিক জহির উদ্দিন, লক্ষ্মীপুরে শোকের ছায়া

‘বিজয়ের আলো বিডি ডট কম’-এ খবর প্রকাশের পর সেই মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রে ছুটে গেলেন মন্ত্রী

আপডেট: ০২:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

বিজয়ের আলো :‘অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘বিজয়ের আলো বিডি ডট কম’-এ সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে টনক নড়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অবস্থিত এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বেহাল দশা এবং অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর কেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকা ফেরার পথে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়াকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন।
গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিজয়ের আলো বিডি ডট কম -এ ‘ অব্যবস্থাপনা নাকি পরিকল্পিত ধ্বংস? লক্ষ্মীপুরের মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রে কোটি টাকার হরিলুটের মহোৎসব”
’শিরোনামে একটি বিশেষ অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সংবাদটিতে কেন্দ্রটির অব্যবস্থাপনা, কোটি টাকার হরিলুট এবং জনবল সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে যাওয়ার চিত্র ফুটে ওঠে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর তা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উচ্চ মহলের নজরে আসে এবং প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী প্রজনন কেন্দ্রের বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। এ সময় লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে কেন্দ্রের ভয়াবহ জনবল সংকট এবং দীর্ঘদিনের অবহেলার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, যথাযথ তদারকির অভাবে এই আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠানটি আজ জরাজীর্ণ।

সরেজমিনে কেন্দ্রের দুরবস্থা দেখে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি কেন্দ্রটির সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়ে বলেন, “এশিয়ার অন্যতম প্রধান এই প্রজনন কেন্দ্রটিকে কোনোভাবেই ধ্বংস হতে দেওয়া যাবে না। সংবাদমাধ্যমে উঠে আসা অনিয়মগুলো তদন্ত করে দ্রুত সংস্কার ও জনবল সংকট নিরসনে মন্ত্রণালয় কার্যকরী পদক্ষেপ নেবে।”

দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত থাকা রায়পুর মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রটির সংকট নিরসনে ‘বিজয়ের আলো বিডি ডট কম ’-এর বস্তুনিষ্ঠ লেখনী এবং প্রতিমন্ত্রীর এই ঝটিকা সফরকে সাধুবাদ জানিয়েছে লক্ষ্মীপুরবাসী। স্থানীয়দের মতে, সংবাদ প্রকাশের পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এই হস্তক্ষেপ কেন্দ্রটিকে আবারও প্রাণবন্ত করে তুলবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদান বৃদ্ধি পাবে।

উল্লেখ্য, রায়পুরের এই কেন্দ্রটি কেবল বাংলাদেশের নয়, বরং সমগ্র এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও প্রজনন হাব হিসেবে পরিচিত। তবে তদারকির অভাবে প্রতিষ্ঠানটি গত কয়েক বছর ধরে হুমকির মুখে ছিল, যা ‘বিজয়ের আলো বিডি ডট কম’-এর সাহসী প্রতিবেদনে দেশবাসীর সামনে উন্মোচিত হয়।