০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে ইউপি সদস্য মিরন হত্যায় ১১ জনের যাবজ্জীবন

  • আপডেট: ০২:৫১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০২৩
  • 20894

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা খোরশেদ আলম মিরন হত্যা মামলায় ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন। এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আরও ১১ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। নিহত মিরন সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের ০৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ছিলেন।

আদালত ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে মিরন স্থানীয় একটি মুদি দোকানে একটি সালিশী বৈঠকের বিষয়ে কথা বলছিলেন। হঠাৎ মুখোশপরা বন্দুকধারী দূর্বত্তরা দোকানে ঢুকে তাকে উদ্দেশ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে। এসময় একাধিক গুলিবিদ্ধ হয়ে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে ৩০ সেপ্টেম্বর মিরনের স্ত্রী অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীদের আসামী করে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
পুুলিশ তদন্ত শেষে ২৫জন আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। এরমধ্যে বিভিন্ন সময় ৩ জন মারা যাওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ এ রায় দেন। তবে এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মামলার বাদী নিহত মিরনের স্ত্রী আসামীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দাবি করেন।
জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এডভোকেট জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রায়ের সময় সিএনজি মিলন ও রুবেল নামে দন্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি আসামিরা পলাতক। তারা আদালতে উপস্থিত হননি।

Tag :

চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

লক্ষ্মীপুরে ইউপি সদস্য মিরন হত্যায় ১১ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট: ০২:৫১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০২৩

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা খোরশেদ আলম মিরন হত্যা মামলায় ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন। এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আরও ১১ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। নিহত মিরন সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের ০৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ছিলেন।

আদালত ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে মিরন স্থানীয় একটি মুদি দোকানে একটি সালিশী বৈঠকের বিষয়ে কথা বলছিলেন। হঠাৎ মুখোশপরা বন্দুকধারী দূর্বত্তরা দোকানে ঢুকে তাকে উদ্দেশ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে। এসময় একাধিক গুলিবিদ্ধ হয়ে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে ৩০ সেপ্টেম্বর মিরনের স্ত্রী অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীদের আসামী করে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
পুুলিশ তদন্ত শেষে ২৫জন আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। এরমধ্যে বিভিন্ন সময় ৩ জন মারা যাওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ এ রায় দেন। তবে এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মামলার বাদী নিহত মিরনের স্ত্রী আসামীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দাবি করেন।
জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এডভোকেট জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রায়ের সময় সিএনজি মিলন ও রুবেল নামে দন্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি আসামিরা পলাতক। তারা আদালতে উপস্থিত হননি।