০৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে ইউপি সদস্য হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট: ০৯:৪৮:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • 4233

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যকে ছুরিকাঘাতে হত্যার মামলায় এক যুবককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আজিজুল হক এ রায় দেন।

দণ্ডিত মো. আমিনের বাড়ি সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের শ্যামগঞ্জ গ্রামে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার এজাহারে সুত্রে জানা যায়, ওমর ফারুক সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। ২০১৭ সালের ৩১ মার্চ রাতে শ্যামগঞ্জের পাটওয়ারী হাটবাজার থেকে বাড়ি যাবার সময় তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত দেড়টার দিকে ফারুকের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ফারুকের স্ত্রী আমেনা খাতুন নয়জনের নামে ও অজ্ঞাত পরিচয় সাত থেকে আটজনকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় পুলিশ আমিনকে গ্রেপ্তার করে।

২০১৮ সালের ১১ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুল আরেফিন আমিনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট জসিম উদ্দিন পিপি জানান, পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বিচারক আমিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

Tag :

লক্ষ্মীপুরে বাজুসের সভাপতি প্রার্থী নিয়ে কৌতূহল

লক্ষ্মীপুরে ইউপি সদস্য হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট: ০৯:৪৮:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যকে ছুরিকাঘাতে হত্যার মামলায় এক যুবককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আজিজুল হক এ রায় দেন।

দণ্ডিত মো. আমিনের বাড়ি সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের শ্যামগঞ্জ গ্রামে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার এজাহারে সুত্রে জানা যায়, ওমর ফারুক সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। ২০১৭ সালের ৩১ মার্চ রাতে শ্যামগঞ্জের পাটওয়ারী হাটবাজার থেকে বাড়ি যাবার সময় তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত দেড়টার দিকে ফারুকের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ফারুকের স্ত্রী আমেনা খাতুন নয়জনের নামে ও অজ্ঞাত পরিচয় সাত থেকে আটজনকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় পুলিশ আমিনকে গ্রেপ্তার করে।

২০১৮ সালের ১১ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুল আরেফিন আমিনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট জসিম উদ্দিন পিপি জানান, পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বিচারক আমিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।