০৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬

স্ত্রীর দেওয়া কিডনিতে জীবন বাঁচল স্বামীর

  • আপডেট: ০২:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল ২০২২
  • 3882

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল পদে কুমিল্লায় কর্মরত ইব্রাহিম খলিল বিগত ৩-৪ বছর ধরে কিডনি রোগে আক্রান্ত। দীর্ঘ দিন রাজারবাগ পুলিশ লাইনে চিকিৎসা নেওয়ার পর ডাক্তাররা তাকে জানান তার দুটো কিডনিই বিকল হয়ে গেছে। বাঁচতে হলে একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে। উপায় না দেখে তিনি পরিবারের লোকজন ও স্বজনদের বিষয়টি অবহিত করেন।

খলিল লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চর রমিজ ইউনিয়নের পূর্ব চর মেহান আদর্শ গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। ৮-১০ পূর্বে নোয়াখালী জেলার আবদুল মুমিনের মেয়ে সালমা খলিল কে বিয়ে করেন তিনি। বর্তমানে তাদের সংসারে আড়াই বছরের একটি ছেলে ও ৬ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে কিডনি সংগ্রহ করতে না পেয়ে হতাশায় পড়ে যান ইব্রাহিম খলিল।

এ দিকে স্বামীকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং তার প্রতি ভালোবাসার নির্দশন হিসেবে স্ত্রী সালমা খলিল তার একটি কিডনি স্বামীকে দান করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে বিষয়টি হাসপাতালের ডাক্তারদের অবহিত করলে তারা জানান, যে কেউ একটি কিডনি দান করলে তার কোনো সমস্যা হয়না।

গত ২০ এপ্রিল ঢাকায় মিরপুর কিডনী ফাউন্ডেশন নামক একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে ইব্রাহিম খলিলের কিডনী প্রতিস্থাপন করেন। বর্তমানে স্বামী-স্ত্রী উভয়েই সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে ঈদ পর্যন্ত ইব্রাহিম খলিলকে হাসপাতাল থাকতে হবে বলে জানান চিকিৎসকেরা।

এ ব্যাপারে ইব্রাহিম খলিলের ভাগ্নে হাসান মাহমুদ জিহাদ জানান, আমার মামাকে একটি কিডনি দান করেছেন মামি। বর্তমানে তারা সুস্থ আছেন। সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।

Tag :

চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

স্ত্রীর দেওয়া কিডনিতে জীবন বাঁচল স্বামীর

আপডেট: ০২:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল ২০২২

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল পদে কুমিল্লায় কর্মরত ইব্রাহিম খলিল বিগত ৩-৪ বছর ধরে কিডনি রোগে আক্রান্ত। দীর্ঘ দিন রাজারবাগ পুলিশ লাইনে চিকিৎসা নেওয়ার পর ডাক্তাররা তাকে জানান তার দুটো কিডনিই বিকল হয়ে গেছে। বাঁচতে হলে একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে। উপায় না দেখে তিনি পরিবারের লোকজন ও স্বজনদের বিষয়টি অবহিত করেন।

খলিল লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চর রমিজ ইউনিয়নের পূর্ব চর মেহান আদর্শ গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। ৮-১০ পূর্বে নোয়াখালী জেলার আবদুল মুমিনের মেয়ে সালমা খলিল কে বিয়ে করেন তিনি। বর্তমানে তাদের সংসারে আড়াই বছরের একটি ছেলে ও ৬ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে কিডনি সংগ্রহ করতে না পেয়ে হতাশায় পড়ে যান ইব্রাহিম খলিল।

এ দিকে স্বামীকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং তার প্রতি ভালোবাসার নির্দশন হিসেবে স্ত্রী সালমা খলিল তার একটি কিডনি স্বামীকে দান করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে বিষয়টি হাসপাতালের ডাক্তারদের অবহিত করলে তারা জানান, যে কেউ একটি কিডনি দান করলে তার কোনো সমস্যা হয়না।

গত ২০ এপ্রিল ঢাকায় মিরপুর কিডনী ফাউন্ডেশন নামক একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে ইব্রাহিম খলিলের কিডনী প্রতিস্থাপন করেন। বর্তমানে স্বামী-স্ত্রী উভয়েই সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে ঈদ পর্যন্ত ইব্রাহিম খলিলকে হাসপাতাল থাকতে হবে বলে জানান চিকিৎসকেরা।

এ ব্যাপারে ইব্রাহিম খলিলের ভাগ্নে হাসান মাহমুদ জিহাদ জানান, আমার মামাকে একটি কিডনি দান করেছেন মামি। বর্তমানে তারা সুস্থ আছেন। সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।